1. admin@metrobanglatv.com : metrobanglatv.com :
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পটুয়াখালীর গলাচিপায় ঘর পেল ৩৯৩ পরিবার- বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা : সভাপতি মোঃ সোহেল রানা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার চুয়াডাঙ্গায় ঘর পেলো ১৩৪ টি পরিবার- নূর প্রাইভেট হাসপাতালের ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত : মেট্রো বাংলা টিভি নোয়াখালীতে ৪২তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ৭দিন পর কবর থেকে বৃদ্ধের লাশ উত্তোলন- নাটোরের গৃহহীন পরিবারের মাঝে গৃহ প্রদান- সেনবাগে গৃহহীন ৮টি পরিবারের মাঝে জমির কবুলিয়ত দলিল ও চাবি হস্তান্তর- লামায় পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও ২ সন্তানের জননী- ৩০০ উপজেলায় মোবাইল ফোন সেবার মান যাচাই করবে বিটিআরসি-

১০ই জানুয়ারি বিশেষ তাৎপর্য বঙ্গবন্ধু প্রত্যাবর্তন দিবস-এরশাদ মোহাম্মদ আনিসুর

আবু সোহেল সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি,মেট্রো বাংলা টিভিঃ-
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

১০ই জানুয়ারির তাৎপর্য পাক ভারত উপমহাদেশের দক্ষিন এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধ বাংলাদেশ যার আয়তন ১,৪৮,৪৬০ বর্গকিলোমিটার। এই রাষ্ট্রের সপ্নদ্রষ্টা, প্রতিষ্ঠাতা এবং স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বীর বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ই জানুয়ারী। ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২ সনে তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে কারামুক্তি হয়ে বীরবেশে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি সে মহান মহানায়ক যার দিক নির্দেশনায় ১৯৪৮ সন পরবর্তী যত আন্দোলনগুলো হয়েছিল, ১৯৫২ সনের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সনের ৬ দফা স্বাধিকার আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ এর গণ-অভুত্থান, ১৯৭০ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তদানন্তীন পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরেও তদানন্তিত ইয়াহিয়া, টিক্কা খান, আইয়ুব ও ভুট্টো খানের উর্দূ ভাষাভাষি মোহাম্মদ আলী এ কে জিন্নাহ নিয়নিয়ত ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতাবাদের প্রবক্তা এবং ধর্মীয় দ্বিজাতি-তত্তের প্রবক্তা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবকে প্রধানমন্ত্রী করে পার্লামেন্ট গঠন করতে অস্বীকার জানান। পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ব বাংলায় সামরিক আইন ও কারফিউ জারি করেন, সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে। ষড়যন্ত্র করে সমযোতার আলোচনার পথ বন্ধ করে দেন। সকল দোষ চাপিয়ে দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর। ৭ই মার্চ ১৯৭১ সনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসমুদ্রের মধ্যে মহাকবি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন জাতির উদ্দেশ্যে। “ ভাইয়েরা আমার, আজ বড় ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি… এবারের সংগ্রাম আমার মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো, তবুও এদেশকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। জয় বাংলা।”
১৯৭১ এর ২৫শে মার্চ কালো রাত্রিতে অপারেশন সার্চলাইট নামে ঢাকার নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অনেক বাঙালিকে হত্যা করে পাকিস্তানের পাক হানাদার বাহিনী। সেই ঘটনার পরিপেক্ষিতে ২৬শে মার্চ ১৯৭১ সনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিম পাকিস্তান তথা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। সুদীর্ঘ সাড়ে নয় মাসকাল আমাদের বীর বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা তদানন্তীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল্স এবং ততকালীন বাঙালি জাতির যেসকল সেনাঅফিসার এবং সেনা সদস্য নৌ, বিমান ও স্থলবাহিনীতে ছিলো, তারা সকলেই দেশমাতৃকাকে মুক্ত করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে একাত্মা পোষণ করে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। আমাদের পার্শবর্তী রাষ্ট্র ভারত আমাদের মুক্তিসংগ্রামে সর্বাত্মক সহায়তা করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আমাদের যেসকল বাঙালি জীবনের নিরাপত্তার জন্যে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন শরণার্থী হয়ে, তাদের থাকা খাওয়ার সুবেবস্থা করে দিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, ভারতের বিমান বাহিনী ও স্থলবাহিনীর সৈনিক এবং সেনা-অফিসার দ্বারা সহায়তা করেন। যুদ্ধবিমান এবং গোলাবারুদ দ্বারা আমাদের সহায়তা করেন। আমাদের মুক্তিযোদ্ধা সেনারা অসম সাহসের সাথে গেরিলা যুদ্ধ বা সম্মুখ সমরে লিপ্ত ছিলেন পাক সেনাবাহিনীর সাথে। প্রায় ৩০ লক্ষ বাঙালির রক্তান্ত হয়ে লাল সবুজের পতাকা বিজয়ের গৌরবে গৌরবান্বিত হয়ে পত্-পত্ করে উড়ে চলে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের পর থেকে। ১৯৭১ সনে ঐতিহাসিক দলিল রচিত হয় ১৬ই ডিসেম্বর ল্যাফটেনেন্ট কর্ণেল অরুরা-ইস্টার্ন কমান্ড কমান্ডিং ইন চিফ ভারতের পক্ষে, বাংলাদেশের পক্ষে জেনারেল এম এ জি ওসমানী কমান্ডিং ইন চিফ অল বাংলাদেশ আর্মড ফোর্স এদের উভয়ের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পননামা দলিলের মধ্যে স্বাক্ষর করেছিলেন পাকিস্তানের সেনা প্রধান জেনারেল নিয়াজি। বাঙালি জাতির বিজয়ের এই মহেন্দ্রক্ষণটি আম্লান হয়ে রয়েছিল ততযাৎবত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সনের ১০ই জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ফিরে এলেন স্বদেশের মাটিতে বাংলা মায়ের কোলে। এবং ১৯৭২ এর ১০ই জানুয়ারি বাঙালিরা স্বাধীনতার প্রকৃত আনন্দে আনন্দিত হলো। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শেখ মুজিবুর রহমানকে কারামুক্তি করিয়ে বিজয়ের বেশে স্বদেশে তথা বাংলাদেশে প্রত্যাপণ করার ব্যাপারে বিশেষ অবদান বা ভুমিকা রাখেন।

লেখকঃ এরশাদ মাহমুদ আনিস, বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায় : মাল্টিকেয়ার

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত