1. admin@metrobanglatv.com : metrobanglatv.com :
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জীবননগর উথলীতে ট্রেনে কেটে বৃদ্ধার মৃত্যু- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৯১ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার- ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ভূমিহীনদের মাঝে ঘরসহ জমির দলিল বিতরণ- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাউতলীতে কৌশলে চলছে কুরুলিয়া নদী ভরাট- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির মামলা করায় গর্ভবতীর নারীর স্বামীকে হত্যার অভিযোগ- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিমরাইল কান্দির ভাল নেই তিতাস নদীর পাড়ের কুমার পাড়ার লোকেরা- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোর লেন প্রকল্প নিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ- বগুড়ার শেরপুরে ট্রাক-বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ নিহত, আহত-১০ দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর আখাউড়া প্রতিনিধি হলেন–মোঃ আল আমিন

চার সপ্তাহের মধ্যে পৃথিবী থেকে নির্মূল হতে পারে করোনা ভাইরাস-

নাহিদ সুমন জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গাঃ-
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

চীনের বৃ’হত্তম করোনা ভাইরাস বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন যে আগামী চার স’প্তাহের মধ্যে পুরো বিশ্ব বদলে যাবে, মানে আগের মতোই হবে। করোনার ভাইরাসের নতুন কেস আসা কমবে। তার সাথে আরও ভবি’ষ্যদ্বাণী করে বলেছেন যে চীনে আর কোনও করোনার ভাইরাসের হা’মলা হবে না।

এই ভবি’ষ্যদ্বাণী করেছেন ডঃ ঝং নানশান। ডঃ ঝং করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত চীন সরকার দ্বারা মোতায়েন করা দলের প্রধানও। ৮৩ বছর বয়সী ডঃ ঝং বলেছিলেন যে চীনে করোনার ভাইরাস দ্বিতীয়বার আ’ক্রমণ করতে পারবে না কারণ আমর’ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাটি খুব শক্তিশালীকরে তুলেছি। ডাঃ ঝং নানশান একটি টেলিভিশন সাক্ষাত্কারে এই

কথাগু’লি বলেছেন। এই সাক্ষাত্কারটি ডেইলি মেল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। ডঃ ঝং নানশেন বলেন যে করোনা ভাইরাসের বিরু’দ্ধে লড়াইয়ের দুটি উপায় রয়েছে। প্রথমটি হ’ল, আমরা সংক্রমণের হারকে সর্বনিম্ন স্তরে নিয়ে যাই। তারপরে এটিকে বাড়তে বাধা দিই। এটি থেকে আমরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে সময়ও পাব এবং আমরা এই রোগটি নির্মূল করতে সক্ষম হব।

দ্বিতীয় উপায়টি হ’ল, সংক্রমণকে বিলম্ব করা এবং নিজেদের কয়েকজন রোগীর সংখ্যা বিভিন্ন উপায়ে হ্রাস করা। বেশিরভাগ দেশ করোনার বি’ষয়ে কঠোর পদ’ক্ষেপ নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি আশাবাদী যে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নতুন নতুন করোনার কেস আসা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন যে, বিশ্বে যে বি’ষয়টি ছড়িয়ে পড়ছে তা হ’ল চীনে এখনও লক্ষ লক্ষ সাইলেন্ট করোনার বাহক রয়েছে। এটা মিথ্যা। আমরা সেই সকল রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করেছি, যাদের মধ্যে করোনার সংক্রমণ থাকলেও কোনও লক্ষণ দেখাযায়নি। এগু’লিকে অ্যাসিম্পটমেটিক কেস বলা হয়।

চীনে অ্যাসিম্পটমেটিক ক্ষেত্রে আ’ক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি নয়। কারণ এখনও অবধি আমরা এর কোন প্রমাণ পাইনি। ডাঃ ঝং বলেন যেসমস্ত রোগীরা এই রোগ থেকে সেরে উঠেছেন তাদের আবার নতুন করে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুব কম। তিনি বলেন যে এইভাবে কোনও মা’মলা সামনে আসলেও তাদের থেকে সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম থাকে। এটা বিরল। কারণ তাদের দে’হে ইতিমধ্যে অ্যান্টিবডি রয়েছে, যা ভাইরাসের সাথে লড়াই করছে। (সংগ্রহীত)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায় : মাল্টিকেয়ার

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত