1. admin@metrobanglatv.com : metrobanglatv.com :
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
এফবিসিসিআইয়ের নবনির্বাচিত পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম মানিককে ফুলেল শুভেচ্ছা- একজন জনবান্ধব চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন কোম্পানী- দুর্নীতি বিরোধী সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে উপহার সামগ্রী বিতরণ- সেনবাগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী’র রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়- নোয়াখালীর চাটখিলে এক থোকায় ৩০টি লাউ উৎসুক জনতার ভিড়- লামার আজিজনগর ইউনিয়নের সকল ইমাম মোয়াজ্জিনদের সম্মানী দিলেন-মোঃ জসিম উদ্দিন কোম্পানী মামুনুল হকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন-এরশাদ মাহমুদ (আনিছ) ঘিলাছড়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের উদ্যােগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ- ডি-৮ সভাপতি হলেন শেখ হাসিনা- মেট্রো বাংলা টিভির স্টাফ রিপোর্টার ইলিয়াসের মসজিদের জন্য অনুদান প্রদান-

শিক্ষা বনাম নৈতিক সুশিক্ষা-

মহসিন মুন্সি বিশেষ প্রতিনিধিঃ-
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি আনুশকা ও দিহানের বিকৃত যৌনাচারে আনুশকার মৃত্যুতে তাদের যৌন শিক্ষা না থাকার কারণে এই কাজ করেছে, এমনটাই বলেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা সুলতানা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন শিশু ও তরুণদের যৌনাচার নিয়ে৷ তিনি বলেন, স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও যৌনশিক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই৷ তাদেরকে যৌন শিক্ষা দেওয়া উচিৎ। এমনকি তিনি এটাও বলেছেন যে প্রত্যেক অঙ্গের কথা উল্লেখ করে করে ছাত্র -ছাত্রীদের সামনে আলোচনা করার।

প্রথমেই আমাদের একটা বিষয় বুঝতে হবে যে যৌনাচার একটা খুবই স্পর্শকাতর ব্যাপার। মানুষ বলেন আর অন‍্য প্রাণী বলেন, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সবারই আছে। যে বলবে যে এটা আমার নেই সে হয়তো তৃতীয় লিঙ্গের অথবা থাকা সত্ত্বেও সে এটাকে আস্বীকার করছেন। এখন এই যৌনাচারকে যদি ছেলেমেয়েদের সামনে খোলামেলা আলোচনা করা হয় তাহলে তাদের কি অবস্থা হবে একবার ভেবে দেখেছেন কি?
যৌন শিক্ষা দেওয়ার মত কিছু নেই, যদি একজন মুসলিম তার ধর্মকে মেনে চলে। ইসলামের নিয়ম কানুন সঠিকভাবে মেনে চলে। মহান আল্লাহ তালা বহু পূর্বেই মানুষকে অবৈধ যৌনাচারকে হারাম ঘোষণা করে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন “তোমরা অবৈধ যৌন সংযোগের নিকটবর্তী হয়োনা, ওটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ।” [ সূরা ১৭ বানি ইসরাইল ৩২ আয়াত]
এছাড়াও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বিকৃত যৌনাচার করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন
“তোমরা স্ত্রীদের গুহ্যদ্বারে (পিছনের মলদ্বার দিয়ে ) সঙ্গম করো না।” ( মুসনাদে আহমদ৬৫৫)
এখন আপনারা বলতে পারেন যৌনশিক্ষা না থাকার কারণে অনুশকা ও দিহান এই রকম বিকৃত যৌনাচার করেছে ‌‌। আসলে এই কারণে নয় বরং তাদের মাঝে ইসলামী শিক্ষা না থাকার কারণে এই অবৈধ হারাম কাজে লিপ্ত হয়েছে।
প্রায় সব প্রাণীই বিপরীত লিঙ্গের প্রাণীর সাথে যৌনাচার করে কিন্তু তাকে কখনো যৌনাচারের নিয়ম কানুন কিছুই শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন পরে না। নিয়মের মধ্যই তারা তাদের চাহিদাকে পূরণ করছে।
মানুষও সৃষ্টির সেরা সৃষ্টি হিসেবে তার যৌন চাহিদা ইসলাম যে নিয়ম কানুন শিক্ষা দিয়েছে সেই ভাবে তার চাহিদাকে মিটাবে। আর এর জন্য প্রয়োজন ইসলামী শিক্ষা। তাই সমাজে যৌনশিক্ষার মতো অশ্লীল শিক্ষা না দিয়ে ইসলাম শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা উচিৎ। কারণ ইসলাম হচ্ছে একটি পরিপূর্ন জীবনবিধান।
এখন অনেকে বলতে পারেন ইসলাম ধর্ম পালন করেও তো অনেকে অবৈধ যৌনাচার করছে। প্রশ্ন হচ্ছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেই কি পরিপূর্ণ মুসলিম হওয়া যায়, যতক্ষন না সে ইসলাম ধর্মের প্রত্যেকটি বিধি বিধানের আদেশ নিষেধ পরিপূর্ণ ভাবে পালন করছে? তাই আমাদের উচিত আদর্শ মুসলিম হওয়া মডারেট মুসলিম নয়‌।
হে মু’মিনগণ! তোমরা পূর্ণ রূপে ইসলামে প্রবিষ্ট হও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করনা, নিশ্চয়ই সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শত্রু।(বাকারা ২০৮)
মিডিয়া আনুশকার বিকৃত যৌনাচারে মৃত্যুর পর প্রচার করছে, শিক্ষা সিলেবাসে যৌনশিক্ষা অন্তর্ভূক্ত করা দরকার। কিন্তু এখানে কয়েকটি কথা উঠে আসে-
বিকৃত যৌনচারের উৎস‍্য পর্ণগ্রাফী বন্ধ না করে তারা পাঠ্য বইয়ে যৌনশিক্ষা অন্তর্ভূক্ত করতে কেন বলছে? এই গোষ্ঠীটির স্বভাব সব সময় এক জিনিস দেখিয়ে অন্য জিনিস খাওয়ানো। যেমন- ছোট বাচ্চা ধর্ষণ হইছে, এটা দেখিয়ে তারা প্রচার করে- “ধর্ষণের জন্য পোষাক দায়ী নয়, সুতরাং সবাই ছোট পোষাক পরো।” অথচ ধর্ষককে যে জিনিসগুলো (যেমন-পর্নোগ্রাফী, নারীর ছোট পোষাক) অ্যাগ্রেসিভ করছে, এবং ঐ নারীকে না পেয়ে সে ছোট বাচ্চার উপর হামলে পড়ছে, এ বিষয়টি তারা কৌশলে এড়িয়ে যায়। অর্থাৎ কোন ইনসিডেন্টকে পূজি করে তারা নিজস্ব মতবাদ বিস্তার করে। কিন্তু তাদের দেয়া ভুল ওষুধ খাওয়ার কারণে যে সমাজের রোগ আরো বেড়ে যেতে পারে, এটা তারা বুঝতে চায় না।
পাঠ্যবই যৌনশিক্ষা দিবে, খুব ভালো কথা। কিন্তু উত্তম যৌন শিক্ষা কোনটা ?
তার মানদণ্ড কি হবে ?
তাদের মানদণ্ডে তো পায়ুকামীতা/সমকামীতাও গ্রহণযোগ্য।
আনুশকা মারা গেছে পায়ুকামীতার জন্য।
তো যৌনশিক্ষা বইয়ে যদি পায়ুকামীতাই শেখায়, তাহলে সে শিক্ষা নিয়ে বাচ্চা কতটুকু বিকৃতমনা থেকে উদ্ধার হবে ?
যে শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের যৌনতা শেখাবে, সে নিজেই যে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে প্র্যাকটিকাল ক্লাস করা শুরু করবে না, তার গ্যারান্টি কে দেবে ? এমনিতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিমলের অভাব নেই। এর মধ্যে যদি শিক্ষকদেরকে যৌনশিক্ষা সিলেবাস দিয়ে দেয়া হয়, ছোট ছোট বাচ্চারা যে শিক্ষকদের রক্ষিতাতে পরিণত হবে না, তার নিশ্চয়তা দেয়া যায় কি?
যে সব দেশে পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে যৌনশিক্ষা দেয়া হয়, সেসব দেশগুলোতে ধর্ষণ বা বিকৃত যৌনচার নেই, এমন কোন ডাটা কি তারা প্রকাশ করতে পারবে ? বরং সেসব দেশে (পশ্চিমে) তো এগুলো আরো বেশি দেখা যায়। এ থেকেই তো বোঝা যায়, ধর্ষণ ও বিকৃত যৌনাচার ঠেকাতে তাদের পলিসি হচ্ছে ভুল ওষুধ। যে ওষুধ ট্রায়ালে রোগ আরো বেড়ে যায় বলে প্রমাণিত, সেই ওষুধ কিভাবে আমরা নিতে পারি?
মানুষ বিকৃত যৌনচারে যায় কখন ? যখন কারো কাছে ন্যাচারাল সেক্স পুরাতন হয়ে যায়, তখন সে নতুনত্ব খুজতে অ্যান-ন্যাচারাল সেক্সের দিকে যায়। আপনি নতুন প্রজন্মকে ফ্রি-মিক্সিং, বহুগামিতা, বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড কালচার বা লিভ-টুগেদার অর্থাৎ সহজলভ্য বহুগামী সেক্সের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন, তখন ২-৪ বছরের মধ্যে তার কাছে স্বাভাবিক সেক্স জীবন তো ভালো লাগবে না, সে নতুনত্ব খুজবে, আর নতুনত্ব খুজতে গিয়েই সে আন-ন্যাচারাল সেক্সের দিকে যাবে, বিকৃত যৌনাচারে মজা খুজবে। সুতরাং এই বিকৃত যৌনচার আটকাতে আপনাকে আগে বহুগামিতা, ফ্রি-মিক্সিং, বহুগামি সেক্সের অ্যাভেলএ্যাবিটিলি বন্ধ করতে হবে। সেক্সের অ্যাভেলএ্যাবিটিলি হ্রাস করতে আপনাকে সেক্সের জন্য দায়িত্ব নেয়ার বিষয়টিকে গ্রহণ করতে হবে। লিভ- টুগেদারের মাধ্যমে কিন্তু নারী-পুরুষ পরস্পরের দায়িত্ব নেয় না। কিন্তু ‘বিয়ে’র মাধ্যমে নারী-পুরুষ পরস্পর পরস্পরের দায়িত্ব নেয়, এবং ভবিষ্যত প্রজন্মেরও দায়িত্ব নেয়্। যখন কেউ দায়িত্ব নেয়ার মাধ্যমে সেক্স করে, তখন ‘সেক্স’র মূল্য বাড়বে বলে আশা করা যায়।
স্বাভাবিক শিক্ষা না থাকায় তরুণদের কাছে যৌনশিক্ষার একমাত্র মাধ্যম হয়ে উঠছে পর্নোগ্রাফি৷ সেখান থেকেই তারা শিখছে বিকৃত যৌনাচার৷ এমনটাই মনে করছেন মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীরা৷ পাশাপাশি মাদকের সহজলভ্যতা ও ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না হওয়াকেও এজন্য তারা দায়ী মনে করছেন৷
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা সুলতানা শুভ্রা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন শিশু ও তরুণদের যৌনাচার নিয়ে৷ তিনি বলেছেন, ‘‘স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও আমাদের যৌনশিক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই৷ যেটুকু আছে, তাও শিক্ষকরা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন৷ পরিবার থেকেও তারা যৌনশিক্ষা পাচ্ছে না৷ ফলে তারা বিভিন্ন ধরনের পর্ণোগ্রাফির বই ও ভিডিও দেখে যৌনশিক্ষা পাচ্ছে৷ এই বইগুলোতে স্বাভাবিক কোন যৌনশিক্ষার ব্যবস্থা নেই৷ সেখানে যা লেখা থাকে পুরোটাই বিকৃত যৌনাচার৷ এই কারণে তরুণরা ওই বইগুলো পড়ে বান্ধবী বা সহপাঠীর উপর পরীক্ষা চালানোর চেষ্টা করে৷ এই প্রবনতাটি ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷
সর্বশেষ গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগানে বন্ধুর বাসায় গিয়ে ইংরেজী মাধ্যমে পড়া এক শিক্ষার্থী দূর্ঘটনার শিকার হন৷ বিকৃত যৌনচারের কারণে অধিক রক্তক্ষরণে তরুণীর মৃত্যু হয় বলে ময়নাতদন্তে জানা গেছে৷ তরুণীর লাশের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেছেন, ‘‘আমার ২৫ বছরের চিকিৎসা জীবনে এমন একটি কেস পেলাম যা আমার কল্পনাতেও ছিল না৷ ধর্ষণের শিকার শত শত নারীর লাশের ময়নাতদন্ত আমি করেছি৷ ধর্ষণ বা গণধর্ষণের কারণে যৌনাঙ্গ ফেটে যাওয়া বা নানা ভাবে বিকৃত হয়ে যাওয়া দেখেছি৷ এমনকি পায়ুপথেও নানা ধরনের ক্ষত হতে দেখেছি৷ কিন্তু এই তরুণীর যৌনাঙ্গ ও পায়ুপথ এমনভাবে ক্ষত হয়েছে যা দেখে আমাদের মনে হয়েছে, শক্ত এমন কোনো বস্তু সেখানে নির্দয়ভাবে ঢোকানো হয়েছে, যে কারণে তরুণীর দু’টি পথই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ বীভৎস অবস্থা হয়েছে৷ দু’টি পথেই অধিক রক্তক্ষরণে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে৷’’
সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নেহাল করিম বলেছেন, ‘‘প্রত্যেকটি পূর্ণাঙ্গ মানুষের জৈবিক চাহিদা থাকে৷ এটা কোন না কোনভাবে পূরণ হতে হয়৷ আমাদের দেশে দৌলতদিয়া ছাড়া আর কোন ব্রোথেল নেই৷ অথচ এটা সারা বিশ্বেই আছে৷ এগুলো না থাকায় দেখবেন আনাচে কানাচে কাজগুলো হচ্ছে চুরি করে৷ তরুণরাও প্রেমের নামে তরুণীদের ফ্ল্যাটে নিয়ে আসছে৷ সেখানে এই কাজগুলো হরহামেশাই হচ্ছে৷ দু’একটি ঘটনায় ব্যতিক্রম হলে মিডিয়ায় হৈ চৈ হচ্ছে৷ আসলে আমরা কি তরুণ বা তরুণীদের যৌনশিক্ষা দিচ্ছি? পরিবারে মা সংসারের কাজের পাশাপাশি মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত, বাবা চাকরি বা ব্যবসা নিয়ে সময় পার করছেন৷ তাহলে শিশুটি কিভাবে বড় হচ্ছে৷ তার হাতে ইন্টারনেটযুক্ত মোবাইল ফোন ধরিয়ে দিয়েছেন৷ সেই ফোনে সে কী দেখছে? কেউ তার খোঁজ নিচ্ছে? এভাবে বেড়ে উঠা তরুণ বা তরুণী কী শিক্ষা পাচ্ছে?’’
তরুণদের মধ্যে কেন বিকৃত যৌনাচার বাড়ছে? জানতে চাইলে চট্টগ্রামের হাটহাজারী নানুপুরী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী বলেছেন, ‘‘মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি যৌনশিক্ষা দেওয়া হয়৷ কিন্তু সাধারণ শিক্ষায় যৌন শিক্ষা দেওয়া হয় না৷ একই সঙ্গে এই তরুণীদের অনেকেই পর্দা মেনে চলে না৷ খানিকটা উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপনে তারা অভ্যস্ত হয়ে উঠছে৷ এই কারণে তাদের মধ্যে বিকৃত যৌনাচারের মানসিকতার সৃষ্টি হচ্ছে৷’’ অনেক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে তো এই ধরনের বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ পাওয়া যায়? প্রশ্নের জবাবে মাওলানা নানুপুরী বলেন, ‘‘দু’একটা দুষ্টু লোক তো সবখানেই আছে৷ মাদ্রাসাতেও আছে৷’’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায় : মাল্টিকেয়ার

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত