1. admin@metrobanglatv.com : metrobanglatv.com :
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
একজন জনবান্ধব চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন কোম্পানী- দুর্নীতি বিরোধী সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে উপহার সামগ্রী বিতরণ- সেনবাগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী’র রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়- নোয়াখালীর চাটখিলে এক থোকায় ৩০টি লাউ উৎসুক জনতার ভিড়- লামার আজিজনগর ইউনিয়নের সকল ইমাম মোয়াজ্জিনদের সম্মানী দিলেন-মোঃ জসিম উদ্দিন কোম্পানী মামুনুল হকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন-এরশাদ মাহমুদ (আনিছ) ঘিলাছড়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের উদ্যােগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ- ডি-৮ সভাপতি হলেন শেখ হাসিনা- মেট্রো বাংলা টিভির স্টাফ রিপোর্টার ইলিয়াসের মসজিদের জন্য অনুদান প্রদান- ফেঞ্চুগঞ্জের বিয়ালীবাজারে বাসার ভাড়াটিয়া মহিলা সহ শিশু সন্তানকে মারধর করে বাসায় তালা দিলেন মালিকপক্ষ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত-

আবু সোহেল সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি,মেট্রো বাংলা টিভিঃ-
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উত্তর দরিয়া দৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি থেকে ৪০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।
বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সাবেরা সুলতানা খানম এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি গ্রামের কালা মিয়ার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৫৪) ও তার ছেলে সুমন (২৮)।
রায় প্রদানকালে প্রধান আসামি ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দিতে র‍্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমনকে আটক করে।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুইটি স্পিডবোট আটক করা হয়। এ সময় পলাতক ফরিদ মিয়া ও সবুজ মিয়া নামের দুজনসহ মা-ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
উক্ত মামলায় সবুজ মিয়ার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে ৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন পুলিশ। এরই মধ্যে ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমন ছেলে জামিনে বের হয়। বুধবার রায় প্রদানকালে ছেলে সুমন মিয়া উপস্থিত হলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন। আদালত সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে আদেশে মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। পলাতক ঝরনা বেগম গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে তার সাজা কার্যকর হবে। অপর আসামি ফরিদ মিয়াকে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় মামলা থোকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ হোসেন বলেন, এই মামলার রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক সঠিক ও যৌক্তিকভাবে এই রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে। এতে মাদক ব্যবসায়ীদের অপকর্ম কমে আসবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায় : মাল্টিকেয়ার

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত